RSS Feed

ভাগে গরু কোরবানী দেয়ার বিষয়ে সৌদি আরবের উলামা পরিষদের স্থায়ী কমিটির ফতোয়াঃ+comments

M Towfiqur Rahman

ভাগে গরু কোরবানী।
গুরুত্বপূর্ণ জবাব।


ভাগে গরু কোরবানী দেয়ার বিষয়ে সৌদি আরবের উলামা পরিষদের স্থায়ী কমিটির ফতোয়াঃ

কোরবানীতে একটি গরু বা একটি উট সাতজনের পক্ষ হতে যথেষ্ট।

এই সাতজন লোক একই পরিবারভুক্ত হোক অথবা আলাদা আলাদা সাত পরিবারের লোক হোক। চাই এই সদস্যদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকুক আর নাই থাকুক।

কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের একাধিক লোক মিলে উট বা গরু কোরবানী দেয়ার অনুমতি দিয়েছেন। তাদের মাঝে আত্মীয়াতার সম্পর্ক থাকতে হবে কি না এমন কোনো কথা বলেন নি। লাজনায়ে দায়িমার কথা এখানেই শেষ।

ইসলাম ওয়েবের প্রশ্নোত্তর বিভাগে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, সাতজনের কম লোক মিলে গরু কোরবানী দিতে পারবে কি না?

জবাবে বলা হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। একটি গরুতে সাতজনের অংশগ্রহণ করা জায়েয আছে। দেখুন প্রশ্ন নং- ৪৫৭৫৭।

সাতজনের অংশগ্রহণ জায়েয হলে সাতজনের কমের অংশগ্রহণ আরো উত্তমভাবেই জায়েয হবে।

তিরমিযীর ভাষ্যকার আল্লামা আব্দুর রাহমান মোবারকফুরী রাহিসাহুল্লাহ বলেন, আমি বলছি, হাদীছ দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যামানায় সাহাবীগণ উট ও গরুতে অংশগ্রহণ করতেন।

এমনিভাবে সাব্যস্ত হয়েছে যে, তারা একটি ছাগলেও অংশগ্রহণ করতেন। তবে ছাগলে অংশগ্রহণের বিষয়টি একই পরিবারের সাত সদস্যের মধ্যে সীমিত।

আর গরুতে সাত পরিবারের সাতজনের অংশগ্রহণ জায়েয।
(দেখুন তুহফাতুল আহওয়াযী, (৪/১৫৯)

[শাহনাজ আমিনের পোষ্ট থেকে]

comments bf;-

আবুল হাসেম কোন হাদীসের রেফারেন্স নেইযে???

Saif Ullah
Saif Ullah রেফারেন্স কোথায় ? ছাগলে সাতজন ?

Bilal Hussain
Bilal Hussain ছাগল কুরবািনর +৭রেফারেনস দেন, নইলে আপনি মিতথা বলছেন

Ruhul Amin Sr.
Ruhul Amin Sr. M Towfiqur Rahman sommanito boro vai aro ektu todonto kore share korun aro bistarito dolil soho jante ei vedio ti dekhun https://www.youtube.com/watch?v=_DN7ODgmgZ4

Ruhul Amin Sr.
Shah Fakhrul Islam Alok
Shah Fakhrul Islam Alok কুরবানীর জন্যে নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হ’তে একটি পশুই যথেষ্ট। এ বক্তব্যের সপক্ষে একটি চমৎকার হাদীস রয়েছে-

হযরত আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একটি শিংওয়ালা সুন্দর সাদা-কালো দুম্বা আনতে বললেন…. অতঃপর নিম্নোক্ত দো‘আ পড়লেন,

بِسْمِ اللهِ أَللّهُمَّ تَقَبَّلْ مِن مُّحَمَّدٍ وَّ آلِ مُحَمَّدٍ وَّ مِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ رواه مسلم-

‘আল্লাহ্-র নামে (কুরবানী করছি), হে আল্লাহ! তুমি এটি কবুল কর মুহাম্মাদের পক্ষ হ’তে, তার পরিবারের পক্ষ হ’তে ও তার উম্মতের পক্ষ হ’তে।‘
এরপর উক্ত দুম্বা দ্বারা কুরবানী করলেন।

[তথ্যসূত্র : মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫৪।]

Shah Fakhrul Islam Alok
Shah Fakhrul Islam Alok সাহাবীদের আমল ছিল এমন যে- সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হযরত আবুবকর ছিদ্দীক্ব (রাঃ) ও ওমর ফারূক্ব (রাঃ) অনেক সময় কুরবানী করতেন না। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর, আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস, বেলাল, আবু মাসঊদ আনছারী প্রমুখ ছাহাবী থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মূলত কুরবানী সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। এটি ওয়াজিব নয় যে, যেকোন মূল্যে প্রত্যেককে কুরবানী করতেই হবে। লোকেরা যাতে এটাকে ওয়াজিব মনে না করে, সেজন্যেই সাহাবীরা অনেকসময় কুরবানী করতেন না।

[তথ্যসূত্র : বায়হাক্বী (হায়দারাবাদ, ভারতঃ ১৩৫৬ হিঃ; ঐ, বৈরুতঃ দারুল মা‘রিফাহ, তারিখ বিহীন) ৯/২৬৪-২৬৬; মির‘আত ৫/৭২-৭৩; তাফসীরে ইবনে কাছীর ৩/২৩৪; তাফসীরে কুরতুবী ১৫/১০৮-১০৯ পৃঃ।]

Shah Fakhrul Islam Alok
Shah Fakhrul Islam Alok ভুলে যাওয়া একটি আমল ও একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদীস –

উম্মে সালামা (রা:) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, “যখন তোমরা জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখবে এবং তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা পোষণ করবে, সে যেন কুরবানীর পশু জবাই করার পূর্বে তার মাথার চুল বা হাত-পায়ের নখকাটা থেকে বিরত থাকে।” (মুসলিম-আহমদ) কোন কোন আলেম একে হারামও বলেছেন। যদি কেউ নখ বা চূল কেটেই ফেলে, তাহলে তাকে তাওবাহ্ করতে হবে; তবে এর জন্যে কোন কাফফারার প্রয়োজন নেই।

এই বিধান শুধুমাত্র পরিবারের যে কুরবানী করবে তার জন্য; তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য এ বিধানের অন্তর্ভুক্ত নয়।

মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত, এ সুন্নত জীবিত করা, যা বর্তমান যুগে প্রায় পরিত্যক্ত এবং ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, এমনকি নেককার লোকদের থেকেও। একটি সুন্নত জীবিত করার প্রচেষ্টার অনেক বড় পুরস্কার রয়েছে।
তাহলে এ পুরস্কার পাবার সুযোগ আমরা কেন হাতছাড়া করবো?

Mominul Islam Sajib
Jakaria Srabon
Jakaria Srabon cagol je sat poribar er moddhe simaboddho er ekta dolil den please

Shah Fakhrul Islam Alok
Shah Fakhrul Islam Alok কুরবানীর জন্যে নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ হ’তে একটি পশুই যথেষ্ট। এ বক্তব্যের সপক্ষে একটি চমৎকার হাদীস রয়েছে-

হযরত আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একটি শিংওয়ালা সুন্দর সাদা-কালো দুম্বা আনতে বললেন…. অতঃপর নিম্নোক্ত দো‘আ পড়লেন,

بِسْمِ اللهِ أَللّهُمَّ تَقَبَّلْ مِن مُّحَمَّدٍ وَّ آلِ مُحَمَّدٍ وَّ مِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ رواه مسلم-

‘আল্লাহ্-র নামে (কুরবানী করছি), হে আল্লাহ! তুমি এটি কবুল কর মুহাম্মাদের পক্ষ হ’তে, তার পরিবারের পক্ষ হ’তে ও তার উম্মতের পক্ষ হ’তে।‘
এরপর উক্ত দুম্বা দ্বারা কুরবানী করলেন।

[তথ্যসূত্র : মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫৪।]

Jakaria Srabon
Jakaria Srabon ami bolci sat vab e jodi goru kurbani jaiz hoi tahole cagol kurbani o jaiz hobe r jodi sat vag e cagol kurbani jaiz na hoi tar dolil dite hobe.jodi cagol kurbani poribarer pokkho theke hoi tahole goru kurbani o to poribarer pokkho theke hobe.jodi cagol r gorur bidhan alada hoi tahole sposto dolil lagbe

Sogood Islam Syeds
Write a reply…
 
Nayon Ahmed
Nayon Ahmed
Advertisements

About sogoodislam

The concept of Islam is only-La ila ha illal la hu Muhamadur Rasulullah.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: